টরেন্ট কি?

টরেন্ট একটি ফাইল যা "বিট টরেন্ট" প্রটোকলের মাধ্যমে পাঠানো হয়। এটি যেকোন ধরনের ফাইল হতে পারে, যেমনঃ গান, মুভি, গেম আথবা অ্যাপ্লিকেশান। ট্রান্সমিশন বা ডাটা পাঠানোর সময় এটি অসম্পূর্ণ থাকে বিধায় একে টরেন্ট বলা হয়ে থাকে। যদি কোন টরেন্ট ফাইল থেমে যায় তবে তা রেগুলার ফাইলের মত ওপেন করা যায় না, কারণ ঐ মুহুর্তে ঐ ফাইলটি প্রয়োজনীয় সব ডাটা নাও রাখতে পারে। তবে টরেন্ট ডাউনলোডের সুবিধা হল এটি যেকোন সময় রিজিউম করা যায় অর্থাৎ যে জায়গায় থেমে গিয়েছিল সেখান থেকেই আবার শুরু করা যায়। এবং এই ডাউনলোডটি বিট টরেন্ট ক্লায়েন্ট ব্যবহার করে যেকোন চালু সার্ভার থেকে করা যায়।

টরেন্ট ডাউনলোড রেগুলার ডাউনলোড থেকে কিছুটা ভিন্ন প্রকৃতির। কারণ এই ডাউনলোড একই সাথে একাধিক সার্ভার ব্যবহার করতে পারে। বিট টরেন্ট প্রটোকল একটি সিংগেল ফাইল পাঠানোর জন্য একাধিক কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকে। ফলে প্রতিটি সার্ভারে যে পরিমাণ ব্যান্ডউইথ দরকার তা কমিয়ে আনে। যখন একটি বিট টরেন্ট ডাউনলোড শুরু হয় তখন বিট টরেন্ট প্রটোকল সিস্টেম ঐ ফাইলের সাথে একাধিক কম্পিউটারকে লোকেট করে থাকে, যাতে একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ফাইল ডাউনলোড দেয় তখন ওই ফাইলের বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন কম্পিউটার থেকে একই সময়ে ডাউনলোড হতে থাকে। এখানে একটি কথা পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। আপনি যখন একটি বিট টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করছেন তখন বিশ্বের যেকোন প্রান্ত থেকে অন্য অনেকেই হয়ত ঐ ফাইল বা ওই লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করছে। তখন ঐ লিঙ্ক থেকে ডাউনলোডে ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোকেই বিট টরেন্ট সিস্টেম প্রটোকল তাদের ডাউনলোড সার্ভারে রূপান্তরিত করে। ফলে একই সার্ভারের উপরে চাপ কমে এবং ব্যান্ডউইথ ও অনেক কম ব্যবহৃত হয়। ফলে ট্র্যান্সফার স্পীড ও থাকে প্রচুর। এখন নিশ্চয় ধরতে পারলেন উপরে চালু সার্ভার কথাটি কেন লিখলাম ?

ফাইল এক্সটেনশন: .TORRENT

টরেন্টে আরেকটা গুরুত্মপূর্ণ জিনিস হয়। তাহল ডাউনলোড আর আপলোড। যেমন- আমি একটা ফাইল কোন সার্ভার থেকে ডাউনলোড করছি। একই সময়ে আপনিও এই ফাইল ডাউনলোডের জন্য রিকোয়েস্ট পাঠালেন। তখন আপনার ডাউনলোডটি সার্ভার থেকে না হয়ে আমার আপলোড করা জায়গা থেকে হবে, মানে আমার পিসি সার্ভার হিসেবে কাজ করে। ব্যাপারটা এরকম যে টরেন্টে আমি যখন কোন কিছু ডাউনলোড করি সাথে সাথে আমাকে আপলোডও করতে হয়। আর এই আপলোড হচ্ছে অন্য জায়গা থেকে ডাউনলোডের রিকোয়েস্ট করা ক্লায়েন্টের জন্য। তাই টরেন্টে ডাউনলোড এর সাথে সাথে আপলোড হয়। অনেকে ডাউনলোড স্পীড বেশি পাবার জন্য আপলোড কমিয়ে রাখে। এখন আমি যদি আপলোড স্পীড কমিয়ে রাখে তাহলে আপনি স্পীড কম পাবেন। অন্যদিকে আপনি যেই স্পীডে ডাউনলোড করছেন তাও হয়ত অন্য কারো পিসিকে সার্ভার হিসেবে ইউজ করে ডাউনলোড হচ্ছে। এখন ঐ লোক যদি তার আপলোড স্পীড কমিয়ে রাখে তাহলে আপনিও ডাউনলোডে কম স্পীড পাবেন।

torrent-download

Previous
Next Post »

পোস্ট সম্পর্কিত সমস্যার জন্য মন্তব্য দিন।ডাউনলোড লিঙ্ক এ সমস্যা জন্য ইনবক্স করুন Aimzworld007
ConversionConversion EmoticonEmoticon

Thanks for your comment