গুগলের কাছে নিজেকে কিভাবে ব্র্যান্ডিং করবেন - একটা সম্পুর্ণ গাইডলাইন

হ্যালো, সবাইকে অভিনন্দন। আশা করি সবাই এস ই ও ওয়াল্ড এ ভাল সময় কাঠাচ্ছেন। আমরা সবাই জানি আমরা কেন একটা সাইট এর এস ই ও করি অথবা একটা সাইট এর ব্র্যান্ডিং করি যাতে আমার সাইট টা সব ভিজিটর এর কাছে বিশ্বাসযোগ্য হয় এবং ভিজিটর রা যাতে নিঃসন্দেহে আমার পণ্য টি কিনে নিতে পারে। শুধুমাত্র কোম্পানির ওয়েবসাইট এস ই ও থেকে উপকৃত হয় না আপনি বেক্তিগত ভাবেও এস ই ও থেকে উপকৃত হতে পারেন। যদি নিজেকে একটা ব্র্যান্ড হিসেবে তুলে ধরতে পারেন বিগ সার্চইঞ্জিন গুলো তে।

image

বেটার ভিউঃ http://bit.ly/193rgz7

অনলাইন মার্কেট প্লেস এ যখন আপনি কোন কাজের জন্য বিড করেন তখন অনেক নিয়োগদানকারী অথবা ক্লাইন্ট আছেন যারা আবেদনকারী সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানার চেষ্টা করে। যেহেতু গুগল অথবা সার্চ ইঞ্জিন গুলো এখন হাতের মুঠোই তাই কারো সম্পর্কে জানা খুব সহজ হয়ে গেছে যদি সে নিজেকে আগে থেকে ব্র্যান্ডিং করে রাখে। এটা আপনার জন্য হতে পারে অনেক বড় একটা সুবিধা যদি ক্লাইন্ট আপনার সম্পর্কে ভাল কিছু জানতে পারে অনলাইন থেকে যেটা আপনাকে অন্যান্য আবেদনকারী থেকে ইউনিক করে তুলবে। 

যদি আপনার সম্পর্কে কোন কন্টেন্ট এই পাওয়া না যাই গুগল এ তার মানে বুজতে হবে আপনি ততটা একটিভ নন অনলাইনে এবং তার পাশাপাশি এটাও বুঝাই যে আপনি হইতো কিছু হাইড করতে চাচ্ছেন। টু বি হনেস্ট এটা আসলেই অনেক সুন্দর লাগে যদি আপনি নিজেকে গুগলের ফার্স্ট পেজ এ দেখেন। :)

আসলে এটা তেমন কঠিন ব্যাপার নয় নিজেকে অনলাইনে ব্র্যান্ডিং করা যা আপনি কিছু লিটল এস ই ও কাজের মাধ্যমে করে ফেলতে পারেন। আপনার নামের কম্পিটিশান যাই হোক না কেন আপনি যদি পার্ফেক্টলি সব ধাপ গুলো ঠিকভাবে শেষ করে ফেলতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনি সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ (SERP) কে ডোমিনেট করতে পারবেন। 

নিচের স্ক্রিনশট এ আপনি দেখতে পারবেন যে ১০ টি ফলাফলেই আমার সম্পর্কে দেখাচ্ছে এমন কি ছবি গুলো সহঃ 

image

বেটার ভিউঃ http://bit.ly/16v3heG

ওকে হইতো আপনাদের এখন জানতে ইচ্ছে করছে এটা কিভাবে সম্ভব!!!!! তেমন কিছুই না ছোট খাট কিছু এস ই ও কৌশল এর মাধ্যেমে আপনিও আপনার নাম ঠিকে গুগল এবং সব সার্চ ইঞ্জিন এ ব্র্যান্ডিং করতে পারবেন।

আমরা নিচের কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করব সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ কে ডোমিনেট করার জন্যঃ

  1. আমরা কিছু হাই অথোরিটি সাইট এ প্রোফাইল করব এবং সেগুলো কে অপ্টিমাইজ করব এস ই ও এর জন্য। 
  2. আমরা নিজের একটা পার্সোনাল ওয়েবসাইট করতে পারি (ফ্রি ব্লগ হলেও সমস্যা নেই)
  3. ব্লগিং শুরু করতে পারি
  4. গুগল অথোরশিপ মার্কআপ এড করতে পারি।

ওকে তাহলে প্রথম ধাপ থেকে শুরু করা যাক। 

১। অনলাইন প্রোফাইল ক্রিয়েট করা এবং সেগুলো কে এস ই ও এর মাধ্যমে অপ্টিমাইজ করাঃ
আমরা জানি যে অনলাইনে অনেক ভাল ভাল সোশাল মিডিয়া আছে এবং যেগুলো খুবই হাই অথোরিটি নিয়ে থাকে। তাই এটা খুবই সহজ হবে যদি আমরা ওই সব সাইট এ আমাদের পুর্নাংগ একটা প্রোফাইল তৈরি করতে পারি তাহলে আমরা খুব সহজেই আমাদের নাম কে গুগল সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ এ শো করাতে পারবো। অনলাইনে অনেক গুলো ভাল ভাল প্লাটফর্ম রয়েছে যেখানে আমরা প্রোফাইল ক্রিয়েট করতে পারি তা আমরা নিচে আলোচনা করছিঃ

  • Google+: এটা খুবই পরিস্কার যে গুগল প্লাস প্রোফাইল খুব তাড়াতাড়ি সার্চ ইঞ্জিন এ রাঙ্ক করে তাই আপনি যদি এখনো ক্রিয়েট করে না থাকেন তাহলে আমি বলব আগেই এটা করে নেন। বর্তমানে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ব্যাবহার কারী রয়েছে গুগল প্লাস এর।
    পরবর্তী অংশটা নতুন এবং যারা অলরেডি রেজিস্টার্ড উভয়ের জন্য মজাদার হবে আশা রাখছি। গুগল প্লাস এ আপনি যাই রাখেন না কেন এটা আপনাকে আপনার নাম এর জন্য রাঙ্ক করতে সাহায্য করবে। আপনি যদি নিচের ছবির দিকে থাকান দেখবেন আপনার নাম, ট্যাগ লাইন, সূচনা এবং ডেস্ক্রিপশান ব্যাবহার করা হয়েছে আপনার প্রোফাইল এর সাথে মিল রেখেই। আপনি সূচনার সাথে যে লিঙ্ক টি দেখতে পাচ্ছেন সেটা কিন্তু ডু-ফলো তার মানে হচ্ছে আপনি যে লিঙ্ক টি ব্যাবহার করবেন তা কিন্তু গুগল থেকে রেজিস্টার্ড ডু-ফলো ব্যাক লিঙ্ক পাচ্ছে।
    তাই আপনারা এই সুযোগ টি কাজে লাগাতে পারেন যথোপুযুক্ত কী ওয়ার্ড ব্যাবহার করে আপনার সাইট কে একটা ব্যাক লিঙ্ক দিয়ে এবং তা হতে পারে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ এ উন্নতির কারণ। :)
    image
    বেটার ভিউঃ http://bit.ly/14SMljJ
  • Twitter: টুইটারে একটিভলি টুইট করতে পারাও আপনার ভাল ব্র্যান্ডিং এর কারণ হতে পারে। তাই যতটুক সম্ভব চেষ্টা করবেন যত বেশি পারা যায় টুইট করার। তাই এখনো যদি আপনার টুইটারে অ্যাকাউন্ট না থেকে থাকে তাহলে চলুন এখনি সাইন আপ করে আসি। এটার আরো একটা সুবিধা আছে আপনাকে টুইট করতে হবেনা শুধুমাত্র যদি আপনি আপনার ইন্টারেস্ট পিপল কে ফলো করেন তাহলে ওদের টুইট থেকেও আপনি অনেক কিছু জানতে পারবেন।
    আপনি এখানেও গুগল প্লাস এর মত কৌশল অবলম্বন করতে পারবেন আপনার টুইটার প্রোফাইল টি তৈরি করতে। প্রোফাইল এ ছবি আপলোড করার সময় অবশ্যই ফাইল এর নাম পরিবর্তন করে আপনার নেম দিবেন (উদাঃ ramkrishna.jpg) যাতে গুগল ইমেজ এও আপনি স্থান করে নিতে পারেন।
    সর্বশেষ কথা হল ডেস্ক্রিপশান এ আপনি অবশ্যই ওই কী ওয়ার্ড গুলো ব্যাবহার করবেন আপনি যে সেক্টর এ কাজ করেন, আপনার শখ, আপনি যেটা নিয়ে টুইট করতে পছন্দ করেন। নিচে একটা ইমেজ দিয়ে দেখানো হলঃ
    image
    বেটার ভিউঃ http://bit.ly/1aCe7QO
  • Linkedin: লিঙ্কডইন সম্পর্কে সবাই জানেন আশা করি, এটা হচ্ছে আন্তর্জাতিক সমমানের একটা সোশাল বিজনেস নেটওয়ার্ক তাই অবশ্যই এখানে আপনার একটা সম্পুর্ন প্রোফাইল থাকা উচিত। সাধারাণত হাই অথোরিটি সাইট হউয়ার কারণে লিঙ্কডইন প্রোফাইল খুবই তাড়াতাড়ি রাঙ্ক করে গুগলে তাই এখানে তেমন কিছু করার দরকার নেই যেটা খুব বেশি গুরত্তপুর্ন সেটা হচ্ছে আপনার প্রোফাইল ইউ আর এল (URL) এ যাতে অবশ্যই আপনার নাম থাকে। যেমনঃ http://linkedin.com/YourName
    এটাই আপনার নাম কে গুগল এ রাঙ্ক করাতে সাহায্য করবে। যদি সম্ভব হয় তাহলে ডেস্ক্রিপশান এও আপনার নাম রাখার চেষ্টা করবেন। এটা আপনার নামের সাথে আপনার প্রোফাইল এর সম্পর্ক বাড়িয়ে দিবে। নিচে একটা চিত্র দেয়া হলঃ
    image
  • Youtube: ইউটিউব অনেক বড় একটা ভিডিও সাইট। যদি এখনো ইউটিউব এ আপনার একটা অ্যাকাউন্ট না থেকে থাকে তাহলে আমি অনুরোধ করব আপনার নাম কে ব্রান্ডিং করার জন্য ইউটিউব এ একটা অ্যাকাউন্ট করে ফেলুন এবং এর সাথে সাথে যেটা খেয়াল রাখতে হবে অবশ্যই আপনি আপনার ফুল নেম কে এখানে ইউজারনেম (USERNAME) হিসেবে ব্যাবহার করবেন।
    পাশাপাশি আপনি আরো একটি কাজ করতে পারেন যেহেতু আমরা অলরেডি গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট করে ফেলছি যেখানে আমাদের সব তথ্য গুলো সুন্দর করে দেয়া আছে আমরা চাইলে খুব সহজেই ঐ গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট এর সাথে আমাদের ইউটিউব অ্যাকাউন্ট টি মার্জ করে দিতে পারি। যার মাধ্যমে আমরা আরো দ্রুত সময়ে আমাদের নাম কে রাঙ্ক করাতে পারবো।
  • About.me and Vizify: এবাউট ডট মি এবং ভিজিফাই(CV) ২ টা আলাদা আলাদা ওয়েবসাইট যারা আপনাকে আপনার সম্পর্কে একটা অনলাইন প্রোফাইল এবং অনলাইন সিভি তৈরি করার সুযোগ করে দিবে এবং তার পাশাপাশি আপনার সব ধরনের সোশাল মিডিয়া লিঙ্ক গুলো কে একসাথে রাখার একটা স্থান করে দিবে। এর ফলাফলে আপনি হাই অথোরিটি সাইট থেকে ব্যাক লিঙ্ক পাওয়ার পাশাপাশি লিঙ্ক জুইস পাস করারো সুযোগ করে নিতে পারবেন ডু-ফলো লিঙ্ক এর মাধ্যমে। নিচের ইমেজ টা দেখতে পারেনঃ
    image
    বেটার ভিউঃ http://bit.ly/18jBhaf
    তাই যত বেশি কোয়ালিটি লিঙ্ক জুইস ভাল রাঙ্ক হউয়ার চান্স। তাই অবশ্যই প্রোফাইল করার সময় মাথাই রাখতে হবে যাতে আপনার পুরা নাম আপনি ব্যাবহার করেন এবং ইউ আর এল এ আপনার পুরা নাম রাখার চেষ্টা করেন। যদি আপনি ভিন্ন ভিন্ন নাম ব্যাবহার করেন তাহলে আপনার নাম রাঙ্কিং করা কষ্টকর হয়ে পরতে পারে। 

আমি আর বেশি বর্ননাই যাচ্ছি না উপরের ধাপ গুলো ফলো করে আপনি ঠিক একই ভাবে নিচের সাইট গুলো তেও আপনার প্রোফাইল টি সুন্দর করে করে ফেলতে পারবেন। যেমনঃ 

২। নিজের একটি বেক্তিগত ওয়েবসাইট তৈরি করাঃ গুগল কে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নিজের একটি ওয়েবসাইট থাকা খুব জরুরি। এতে করে খুব সহজেই যে কোন কী ওয়ার্ড এর জন্য আপনি গুগল এ ভাল রাঙ্ক করতে পারেন। কিছু হাই অথোরিটি সাইট আছে যারা আপনাকে ফ্রি তে সাইট খুলতে সাহায্য করবে যেমনঃ 

এখানে অবশ্যই মাথাই রাখতে হবে আপনার পুরা নাম কে ডোমেইন নাম হিসেবে ব্যাবহার করছেন কিনা। এবং যতটুকু পারা যাই আপনার কাজের ক্ষেত্রের সাথে মিল রেখে কন্টেন্ট পোস্ট করার যাতে গুগল এ খুব তাড়াতাড়ি রেঙ্ক এ যেতে পারেন। এবং এর পাশাপাশি মাথাই রাখতে হবে অন পেজ ফেক্টর গুলো তে যথাযথ ভাবে কী ওয়ার্ড ব্যাবহার করার। যেমনঃ

  • Title
  • Description
  • H Tag
  • Image alt tag
  • Page URL
  • Content is King
  • Internal link and External link
  • Google Rich Snippet

৩। ব্লগিং শুরু করা যেতে পারেঃ যেহেতু অলরেডি আপনার একটা বেক্তিগত সাইট তৈরি হয়ে গেছে তাহলে আপনি এখন সে সাইট আপনার ফেভারিট শখ নিয়ে, আপনার ভাল লাগা কাজের পরিধি নিয়ে, বিভিন্ন ফেভারিট টপিক নিয়ে আপনি ভাল কন্টেন্ট ডেভেলাপ করতে পারেন। এতে করে আপনার ব্রান্ডিং টা আরো মজবুদ হবে।
যখন থেকে আপনার কন্টেন্ট গুলো আপনার শ্রোতাদের কাছে ভাল লাগতে শুরু করবে তখন তারা অটোমেটিকেলি আপনার কন্টেন্ট গুলো শেয়ার করবে তাদের নিজ নিজ সোশাল মিডিয়াতে এবং এর ফলে আপনার অনলাইট রেপুটেশান আরো শক্তিশালী হবে।

৪। গুগল অথোরশিপ মার্কাআপ এড করাঃ আপনি হইতো নিচের ইমেজ এর মত সার্চ রেজাল্ট পেজ এ দেখে থাকবেন যে অনেক ফলাফলের সাথে সংযুক্ত ইমেজ দেখা যায়। যদি মনে প্রশ্ন জাগে এটা কিভাবে সম্ভব তার উত্তর হবে ওই সাইট এর ওনার (মালিক) তাদের সাইট গুলোতে স্ব স্ব ইমেজ এড পুর্বক গুগল অথোরশিপ মার্কআপ এড করেছে। image

বেটার ভিউঃ http://bit.ly/14XDW9s

ফ্যাক্ট হচ্ছে যদি আপনার বেক্তিগত সাইট এর পাশে রিচ স্নিপেট শো করে তাহলে তা ভিউয়ার অথবা ভিজিটর দের কে আকর্ষন করবে এবং আপনার ব্র্যান্ডিং শক্তিশালী হবে। যদি আপনার বেক্তিগত কোন ওয়েবসাইট থাকে তাহলে অবশ্যই আমি রিকোমেন্ড করবো যে আপনি অবশ্যই গুগল রিচ স্নিপেট এড করবেন যেটা আপনার ওয়েবসাইট এর CTR (সি টি আর) দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিবে। রিচ স্নিপেট আপনার ওয়েবসাইট কে অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য এবং প্রাসঙ্গিক করে তুলবে। 

গুগল অথোরশিপ মার্ক আপ নিয়ে ফুল গাইড পাবেন এখানে। 

উপসংহারঃ নিজের নামে গুগলের প্রথম পেজে আসা আপনার জন্য অনেক বড় সুবিধা হতে পারে আপনার কাজের ক্ষেত্রে এবং যেটা বুজাবে আপনি অনলাইনে অনেক সক্রিয় এবং উপযুক্ত বেক্তিত্ত ধারণ করেন। ভালভাবে উপরোক্ত ধাপগুলি অনুসরণ করুন, কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ পরে, আপনি গুগলের সার্চ ইঞ্জিন ফলাফল পেজের একটি বড় উন্নতি দেখতে পাবেন। এটা শুধু নিজের নামের জন্য নয় কোন একটা নতুন ওয়েবসাইট অথবা নতুন কোন পন্যের ব্র্যান্ডিং এও এই ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন। 

অনেক্ষন ধরে আমার বক বকানি পড়লেন এখন নিজেকে ব্র্যান্ড করতে লেগে জান এবং খুব দ্রুত গুগলের প্রথম পেজে চলে আসুন। নিজের জাইগা শক্ত করে ধরে রাখুন হাই অথোরিটি প্রোফাইল ক্রিয়েশান এর মাধ্যমে।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ উপরের বর্নিত টিপস এবং কৌশল গুলোর বাহিরে যদি আপনার নিজস্ব কোন কোশল থেকে থাকে তাহলে আমার সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

বর্তমান সময়ের কিছু এস ই ও এর কথাবার্তা

ফ্রি এস ই ও টুলস এর সমগ্র

http://ramkrishnabhattacharjee.tumblr.com/page/4

Previous
Next Post »

পোস্ট সম্পর্কিত সমস্যার জন্য মন্তব্য দিন।ডাউনলোড লিঙ্ক এ সমস্যা জন্য ইনবক্স করুন Aimzworld007
ConversionConversion EmoticonEmoticon

Thanks for your comment