২০৫০ সালের যাত্রীবাহী বিমান

দ্রুত বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ২০০৫ সালে মাইক্রোএসডি মেমোরি কার্ডের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ছিল ১২৮ মেগাবাইট। আর ২০১৪তে এসে ধারণক্ষমতা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১২৮ গিগাবাইটে! আকাশপথে গণপরিবহনের প্রযুক্তিতেও এই গড়ির ছোঁয়া লেগেছে। মানববাহী আকাশযানে গতি বাড়ানোই প্রধান চ্যালেঞ্জ। এ জন্য দরকার যেমন জেট ইঞ্জিনের উন্নয়ন একই সঙ্গে দরকার কম ওজনের কাঠামো তৈরির চ্যালেঞ্জ।

তবে গবেষণা তো আর থেমে নেই। ছবিতে দেখুন ২০৫০ সালের কিছু বিশেষ বিমানের নমুনা…
aircraft04

মার্কিন বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং এবং মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার ডিজাইন করা বিমান
aircraft01

ইউনিভার্সিটি অব পিসার ডিজাইন করা বিমান
aircraft02

নাসার ডিজাইন করা বৈদ্যুতিক শক্তিচালিত পরিবহন বিমান। জিরো কার্বন নিঃসরণকারী বিমান হবে এটি।
aircraft03

২০৫০ সাল নাগাদ এমন একটি বিমানই আকাশে উড়ানোর পরিকল্পনা করেছে বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস
aircraft05

ইএডিএসের ইথ্রাস্ট প্রজেক্ট। অতউন্নতমানের ইঞ্জিন আর জ্বালানি সাশ্রয়ী।
aircraft06

পাখির উড়াউড়ির কৌশল কাজে লাগিয়ে গোয়েন্দা বিমানের ডিজাইন করছে নাসা।
aircraft07

ভল্টএয়ার: ইএডিএসের আরেকটি প্রজেক্ট। এটিও হবে বিদ্যুৎশক্তিচালিত গ্রিন এয়ারক্র্যাফট।

Previous
Next Post »

পোস্ট সম্পর্কিত সমস্যার জন্য মন্তব্য দিন।ডাউনলোড লিঙ্ক এ সমস্যা জন্য ইনবক্স করুন Aimzworld007
ConversionConversion EmoticonEmoticon

Thanks for your comment